আল্লহ তায়া’লা ও তাঁহার রসুল সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের এতাআত বা আনুগত্য সম্পর্কে কুরআনের আয়াত-২

وَأَطِيعُوا اللَّـهَ وَالرَّسُولَ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ

আর তোমরা আল্লহ ও তাঁহার রসুলের আদেশ পালন কর, যাহাতে তোমাদের উপর রহম করা হয় (সূরা আল-ইমরনঃ ১৩২)

إِذْ أَنتُم بِالْعُدْوَةِ الدُّنْيَا وَهُم بِالْعُدْوَةِ الْقُصْوَىٰ وَالرَّكْبُ أَسْفَلَ مِنكُمْ ۚ وَلَوْ تَوَاعَدتُّمْ لَاخْتَلَفْتُمْ فِي الْمِيعَادِ ۙ وَلَـٰكِن لِّيَقْضِيَ اللَّـهُ أَمْرًا كَانَ مَفْعُولًا لِّيَهْلِكَ مَنْ هَلَكَ عَن بَيِّنَةٍ وَيَحْيَىٰ مَنْ حَيَّ عَن بَيِّنَةٍ ۗ وَإِنَّ اللَّـهَ لَسَمِيعٌ عَلِيمٌ

আর তোমরা আল্লহ তায়া’লা ও তাঁহার রসূলের আদেশ পালন করিতে থাক এবং আপোষে বিবাদ করিবে না, অন্যথায় সাহসহারা হইয়া পড়িবে এবং তোমাদের প্রভাব বিনষ্ট হইয়া যাইবে, আর ধৈর্য ধারণ করিবে; নিশ্চয় আল্লহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন। (সূরা আনফালঃ ৪২)

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّـهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَأُولِي الْأَمْرِ مِنكُمْ ۖ فَإِن تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللَّـهِ وَالرَّسُولِ إِن كُنتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّـهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ ۚ ذَٰلِكَ خَيْرٌ وَأَحْسَنُ تَأْوِيلًا

হে ঈমানদারগণ তোমরা আল্লহ ও রসূলের আনুগত্য কর এবং তোমাদের যারা  উপরস্থ তাহাদেরও। অনন্তর যদি তোমরা কোন বিষয়ে পরস্পর দ্বিমত হও তবে সেই বিষয়কে আল্লহ ও তাঁহার রসূলের উপর হাওয়ালা করিয়া দাও, যদি তোমরা আল্লহ তায়া’লার প্রতি ও কিয়ামাত দিবসের প্রতি ঈমান রাখ। এই বিষয়গুলি উত্তম এবং পরিণামও খুব ভাল। (সূরা নিসাঃ ৫৯)

إِنَّمَا كَانَ قَوْلَ الْمُؤْمِنِينَ إِذَا دُعُوا إِلَى اللَّـهِ وَرَسُولِهِ لِيَحْكُمَ بَيْنَهُمْ أَن يَقُولُوا سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا ۚ وَأُولَـٰئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ ﴿٥١﴾ وَمَن يُطِعِ اللَّـهَ وَرَسُولَهُ وَيَخْشَ اللَّـهَ وَيَتَّقْهِ فَأُولَـٰئِكَ هُمُ الْفَائِزُونَ ﴿﴾٥٢

ঈমানদারদের কথা তো ইহাই, যখন তাহাদিগকে আল্লহ ও তাঁহার রসূলের দিকে আহবান করা হয় তাহাদের মিমাংসার জন্য তখন তাহারা বলিয়া দেয়–আমরা শুনিলাম এবং আদেশ মানিয়া লইলাম, আর এরূপ লোকেরাই সফলকাম হইবে। আর এ ব্যক্তি আল্লহ ও তাঁহার রসূলের কথা মান্য করে এবং আল্লহকে ভয় করে এবং তাঁহার বিরূদ্ধাচরণ হইতে বিরত থাকে, এইরূপ লোকেরাই সফলকাম হইবে (সূরা নূরঃ ৫১-৫২)

قُلْ أَطِيعُوا اللَّـهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ ۖ فَإِن تَوَلَّوْا فَإِنَّمَا عَلَيْهِ مَا حُمِّلَ وَعَلَيْكُم مَّا حُمِّلْتُمْ ۖ وَإِن تُطِيعُوهُ تَهْتَدُوا ۚ وَمَا عَلَى الرَّسُولِ إِلَّا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ ﴿٥٤﴾ وَعَدَ اللَّـهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنكُمْ وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَيَسْتَخْلِفَنَّهُمْ فِي الْأَرْضِ كَمَا اسْتَخْلَفَ الَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ وَلَيُمَكِّنَنَّ لَهُمْ دِينَهُمُ الَّذِي ارْتَضَىٰ لَهُمْ وَلَيُبَدِّلَنَّهُم مِّن بَعْدِ خَوْفِهِمْ أَمْنًا ۚ يَعْبُدُونَنِي لَا يُشْرِكُونَ بِي شَيْئًا ۚ وَمَن كَفَرَ بَعْدَ ذَٰلِكَ فَأُولَـٰئِكَ هُمُ الْفَاسِقُونَ ﴿﴾٥٥

আপনি বলিয়া দিন, আল্লহর আনুগত্য কর এবং রসূলের আনুগত্য কর। অতঃপর যদি তোমরা মুখ ফিরাও তবে জানিয়া রাখ যে, তাঁহার (রসূলের) উপর ন্যস্ত দায়িত্বের জন্য তিনি দায়ী এবং তোমাদের উপর ন্যস্ত দায়িত্বের জন্য তোমরা দায়ী। আর যদি তোমরা তাঁহার অনুগত থাক, তবে সুপথপ্রাপ্ত হইবে, আর রসুলের দায়িত্ব কেবল সুস্পষ্টভাবে পৌঁছাইয়া দেওয়া। তোমাদের মধ্যে যাহারা ঈমান আনিবে এবং সৎকার্যসমুহ করিবে, আল্লহ ওয়াদা দিতেছেন যে, তাহাদিগকে পৃথিবীর রাজত্ব দান করিবেন, যেমন তাহাদের পূর্ববর্তীদিগকে রাজত্ব দিয়াছিলেন এবং তিনি তাহাদের জন্য যে দ্বীনকে পছন্দ করিয়াছেন উহাকে তাহাদের জন্য শক্তিশালী করিয়া দিবেন। আর তাহাদের এই ভয়-ভীতির পর উহাকে নিরাপত্তায় পরিবর্তিত করিয়া দিবেন, তবে এই শর্তে যে, তাহারা আমার ইবাদাত করিতে থাকে আমার প্রতি কোন প্রকার অংশী স্থির না করে, আর যাহারা ইহার পরও না-শোকরী করিবে, তবে তো তাহারাই নাফরমান। আর নামাযের পাবন্দী কর এবং যাকাত প্রদান কর, আর রসূলের আনুগত্য কর যেন তোমাদের প্রতি রহম করা যাইতে পারে। (সূরা নূরঃ ৫৪-৫৬)

আরো পড়ুন পোস্ট করেছেন

Comments

লোড হচ্ছে...
শেয়ার হয়েছে